আমাদের যাত্রা — শুরু থেকে আজ পর্যন্ত
২০১৯ সালের কথা। বাংলাদেশে অনলাইন বেটিং তখন নতুন ধারণা। বেশিরভাগ প্ল্যাটফর্ম ছিল বিদেশি, ইংরেজিতে, বাংলাদেশি পেমেন্ট পদ্ধতি সাপোর্ট করত না। সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা কেউ করেনি। এই শূন্যতা থেকেই জন্ম নিল goo11 age।
একদল তরুণ প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ও স্পোর্টস বিশেষজ্ঞ মিলে ভাবলেন — বাংলাদেশের মানুষ ক্রিকেট ভালোবাসেন, ফুটবল ভালোবাসেন। তাঁদের জন্য এমন একটা প্ল্যাটফর্ম থাকা দরকার যেখানে তাঁরা নিজের ভাষায়, নিজের পেমেন্ট পদ্ধতিতে সহজে বেটিং উপভোগ করতে পারবেন। সেই ভাবনা থেকেই goo11 age–এর যাত্রা শুরু।
বিশ্বাসের ভিত্তি কীভাবে তৈরি হলো?
শুরুতে মাত্র কয়েক হাজার ব্যবহারকারী ছিলেন। তখন থেকেই goo11 age একটা নিয়ম মেনে চলেছে — কোনো লুকানো শর্ত নেই, কোনো দেরিতে পেমেন্ট নেই। প্রতিটি উইথড্রল অনুরোধ সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারে প্রক্রিয়া করা হয়।
এই সততার কারণেই ব্যবহারকারীরা বন্ধুদের বলেছেন, পরিবারের সদস্যদের বলেছেন। মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়েছে goo11 age–এর নাম। কোনো বড় বিজ্ঞাপনের প্রয়োজন হয়নি — বিশ্বাসটাই ছিল সবচেয়ে বড় প্রচারণা।
"একজন ব্যবহারকারী যদি একটা বেট করে জেতেন, তাহলে তাঁর টাকা যেন সত্যিই সঙ্গে সঙ্গে পান — এটা নিশ্চিত করাটাই আমাদের প্রথম কাজ।" — goo11 age প্রতিষ্ঠাতা দল।
প্রযুক্তিতে আমাদের বিনিয়োগ
goo11 age–এর পেছনে আছে একটি শক্তিশালী প্রযুক্তি দল। লাইভ বেটিংয়ের সময় যেন কোনো ল্যাগ না থাকে, অডস যেন রিয়েলটাইমে আপডেট হয়, পেমেন্ট গেটওয়ে যেন সবসময় কাজ করে — এই তিনটি বিষয়ে আমরা প্রতিনিয়ত বিনিয়োগ করছি।
আমাদের সার্ভার আর্কিটেকচার ৯৯.৮% আপটাইম নিশ্চিত করে। অর্থাৎ বছরে মাত্র কয়েক ঘণ্টা সার্ভার রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়। বাকি সময়টা আপনি যেকোনো মুহূর্তে লাইভ ম্যাচে বেট করতে পারবেন।
দায়িত্বশীল বেটিং — আমাদের কমিটমেন্ট
goo11 age–এ বেটিং একটি বিনোদন, ব্যবসা নয়। আমরা সবসময় ব্যবহারকারীদের মনে করিয়ে দিই — সীমার মধ্যে খেলুন। আমাদের প্ল্যাটফর্মে সেলফ-এক্সক্লুশন, ডিপোজিট লিমিট ও সেশন টাইমার সুবিধা আছে। যে কেউ এই টুলগুলো ব্যবহার করে নিজেকে নিরাপদ রাখতে পারেন।
১৮ বছরের নিচে কেউ যাতে goo11 age ব্যবহার না করতে পারেন, সে জন্য কঠোর যাচাইকরণ ব্যবস্থা আছে। দায়িত্বশীল বেটিং আমাদের সংস্কৃতির অংশ।
বাংলাদেশের জন্য, বাংলাদেশের মানুষের দ্বারা
goo11 age–এর সাপোর্ট টিম থেকে শুরু করে বিশ্লেষণ দল — সবাই বাংলাদেশি। আমরা জানি বাংলাদেশের মানুষ ক্রিকেটে কতটা আবেগী। আমরা জানি বিকাশে পেমেন্ট করাটা কতটা সহজ ও পরিচিত। তাই আমাদের পুরো সিস্টেম বাংলাদেশি প্রেক্ষাপটে তৈরি।
ঈদের সময়, বিশ্বকাপের সময়, বাংলাদেশ দলের বড় ম্যাচের দিন — goo11 age–এ সবসময় বিশেষ অফার থাকে। কারণ আমরা জানি এই মুহূর্তগুলো বাংলাদেশিদের কাছে কতটা গুরুত্বপূর্ণ।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
আমরা থামছি না। goo11 age–এর আগামী দিনে থাকবে আরও উন্নত মোবাইল অ্যাপ, আরও বেশি লাইভ গেম, আরও দ্রুত পেমেন্ট এবং আরও ব্যক্তিগতকৃত অভিজ্ঞতা। আমাদের লক্ষ্য হলো ২০২৬ সালের মধ্যে ১০ লক্ষ সক্রিয় সদস্যের পরিবার গড়ে তোলা।
আপনি যদি এখনো goo11 age–এর অংশ না হন, তাহলে আজই যোগ দিন। এবং যদি ইতিমধ্যে আমাদের পরিবারের অংশ হয়ে থাকেন — ধন্যবাদ, আপনিই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।